শুক্রবার, ১০ Jul ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দুটি উপজেলার ১২টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
কোনও কোনও এলাকার বাড়িঘর, আসবাবপত্র ও গবাদি পশু পানিতে ভেসে গেছে। অনেকে তাদের বাড়িঘর ভেঙে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
সারিয়াকান্দি উপজেলার চরাঞ্চল চালুয়াবাড়ি, কর্ণিবাড়ি, কুতুবপুর, কামালপুর, চন্দনবাইশা, কাজলা, ও সদর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল এবং ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের ১২টি গ্রাম তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার জমির ফসলও তলিয়ে গেছে।
চালুয়াবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শওকত আলী জানান, যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে তার ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়ে ইতোমধ্যে চার শতাধিক বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বহুলাডাঙা কমিউনিটি ক্লিনিক, আাউচারপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কাকালিহাতা জামে মসজিদ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
বগুড়া জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমকর্তা আজাহার আলী জানান, বন্যা দুর্গত এলাকার জন্য সরকারিভাবে পাঁচ মেট্রিকটন চাল, ৪১ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহবুবুর রহমান জানান, চরাঞ্চলে কিছু জায়গায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। তবে, নদী তীর সংরক্ষণ প্রকল্পে কোথাও ভাঙন নেই।
যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমা ১৬.৭০ সেন্টিমিটার। সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় যমুনা নদীর মথুরাপাড়া পয়েন্টে পানি ১৭.৩৪ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিলো বলে জানান তিনি।
নগরকন্ঠ.কম/এআর